Cox News

বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ


প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
ডা. হেমিকা আগরওয়াল। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে এক ৪০ বছর বয়সী নারী মনোরোগ বিশেষজ্ঞের বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা।

ওই চিকিৎসকের পরিবারের দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই তিনি মারাত্মক মানসিক বিষণ্নতা ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ওই চিকিৎসকের নাম ডা. হেমিকা আগরওয়াল।

গাজিয়াবাদ পুলিশের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার রাজ নগর এক্সটেনশন এলাকার ‘অফিসার্স সিটি-২’ হাউজিং সোসাইটির পঞ্চম তলার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন ডা. হেমিকা। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানার পর থেকেই তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছিল।

ডা. হেমিকার বাবা ড. আর চন্দ্র নিজেও গাজিয়াবাদের একজন প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি পুলিশকে জানান, ১৮ মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার পর থেকে তাঁর মেয়ে ক্রমাগত মানসিক চাপ ও গভীর বিষণ্নতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন।

ঘটনার পরপরই আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য রেকর্ড করছে। তবে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কোনো আত্মহত্যার নোট উদ্ধার করা হয়েছে কি না—সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।

বিষয় : ভারত আত্মহত্যা নারী উত্তরপ্রদেশ

Cox News

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে এক ৪০ বছর বয়সী নারী মনোরোগ বিশেষজ্ঞের বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা।

ওই চিকিৎসকের পরিবারের দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই তিনি মারাত্মক মানসিক বিষণ্নতা ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ওই চিকিৎসকের নাম ডা. হেমিকা আগরওয়াল।

গাজিয়াবাদ পুলিশের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার রাজ নগর এক্সটেনশন এলাকার ‘অফিসার্স সিটি-২’ হাউজিং সোসাইটির পঞ্চম তলার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন ডা. হেমিকা। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানার পর থেকেই তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছিল।

ডা. হেমিকার বাবা ড. আর চন্দ্র নিজেও গাজিয়াবাদের একজন প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি পুলিশকে জানান, ১৮ মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার পর থেকে তাঁর মেয়ে ক্রমাগত মানসিক চাপ ও গভীর বিষণ্নতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন।

ঘটনার পরপরই আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য রেকর্ড করছে। তবে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কোনো আত্মহত্যার নোট উদ্ধার করা হয়েছে কি না—সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
0:00 0:00
1.0x