Cox News

দীর্ঘদিন পর কারাগার থেকে বাড়ি ফিরে জানলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা


প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

দীর্ঘদিন পর কারাগার থেকে বাড়ি ফিরে জানলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা
বগুড়ার শহরতলীতে স্বামী কারাগারে থাকার সুযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে আটক দুই ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার শহরতলীতে স্বামী কারাগারে থাকার সুযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। আরেক অভিযুক্ত পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বগুড়া সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, আটক দুজন হলেন ওই এলাকার আলমগীর হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (৩২)। তাঁদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। একই মামলার আরেক আসামি মাহবুবুর রহমান পলাতক।

মাহফুজ আলম বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এ সময় ওই নারীকে তিন ব্যক্তি দলবদ্ধ হয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। তাঁর স্বামী জামিনে বাড়ি ফিরলে ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দুই অভিযুক্তকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যায়। তৃতীয় অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যান।

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, জামিনে কারাগার থেকে বাড়ি ফেরার পর তিনি জানতে পারেন তাঁর স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানতে চাইলে তাঁর স্ত্রী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে কয়েক মাস ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে জানান।

বিষয় : জেলার খবর ধর্ষণ মামলা বগুড়া সদর অপরাধ রাজশাহী বিভাগ কারাগার

Cox News

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


দীর্ঘদিন পর কারাগার থেকে বাড়ি ফিরে জানলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শহরতলীতে স্বামী কারাগারে থাকার সুযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। আরেক অভিযুক্ত পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বগুড়া সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, আটক দুজন হলেন ওই এলাকার আলমগীর হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (৩২)। তাঁদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। একই মামলার আরেক আসামি মাহবুবুর রহমান পলাতক।

মাহফুজ আলম বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এ সময় ওই নারীকে তিন ব্যক্তি দলবদ্ধ হয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। তাঁর স্বামী জামিনে বাড়ি ফিরলে ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দুই অভিযুক্তকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যায়। তৃতীয় অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যান।

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, জামিনে কারাগার থেকে বাড়ি ফেরার পর তিনি জানতে পারেন তাঁর স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানতে চাইলে তাঁর স্ত্রী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে কয়েক মাস ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে জানান।


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
দীর্ঘদিন পর কারাগার থেকে বাড়ি ফিরে জানলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা
0:00 0:00
1.0x