Cox News

প্যারাসেইলিংয়ে পর্যটকের মৃত্যু: তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর


প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

প্যারাসেইলিংয়ে পর্যটকের মৃত্যু: তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্যারাসেইলিং করার সময় এক পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সেই সঙ্গে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড আয়োজিত ‘মানিকগঞ্জ জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট গঠন, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি যাচাই কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভার শুরুতেই কক্সবাজারে সাম্প্রতিক প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় নিহত পর্যটকের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান মন্ত্রী।

পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের কর্মকর্তাদের কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি চিহ্নিত এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারসহ দেশের সব পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে।

সভায় মানিকগঞ্জকে জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এতে নদীকেন্দ্রিক পর্যটন, টুরিস্ট ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টার, হ্যান্ডিক্রাফট সেন্টার এবং লাইফগার্ড সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের বিষয় গুরুত্ব পায়।

ঐতিহাসিক বালিয়াটি প্রাসাদ, ধামরাই লোকশিল্প কেন্দ্রসহ ঐতিহ্যবাহী পর্যটন সম্পদের সংরক্ষণ, পুনর্বাসন এবং পর্যটনবান্ধব উন্নয়নের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, প্রতিটি এলাকার জন্য স্বতন্ত্র পর্যটন থিম নির্ধারণ করে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে এবং স্থানীয় জনগণের জীবন-জীবিকার সঙ্গে পর্যটনকে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের পর্যটন খাতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। তাই সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগে পর্যটন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি কর্ণফুলী টানেল ও পদ্মা সেতু সংলগ্ন অতিথিশালাগুলো সাধারণ মানুষের জন্য পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের প্রচারণামূলক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

বিষয় : কক্সবাজার জেলার খবর মৃত্যু মন্ত্রী ঢাকা জেলা রাজধানী পর্যটন পর্যটক তদন্ত চট্টগ্রাম বিভাগ

Cox News

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


প্যারাসেইলিংয়ে পর্যটকের মৃত্যু: তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্যারাসেইলিং করার সময় এক পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সেই সঙ্গে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড আয়োজিত ‘মানিকগঞ্জ জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট গঠন, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি যাচাই কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভার শুরুতেই কক্সবাজারে সাম্প্রতিক প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় নিহত পর্যটকের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান মন্ত্রী।

পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের কর্মকর্তাদের কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি চিহ্নিত এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারসহ দেশের সব পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে।

সভায় মানিকগঞ্জকে জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এতে নদীকেন্দ্রিক পর্যটন, টুরিস্ট ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টার, হ্যান্ডিক্রাফট সেন্টার এবং লাইফগার্ড সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের বিষয় গুরুত্ব পায়।

ঐতিহাসিক বালিয়াটি প্রাসাদ, ধামরাই লোকশিল্প কেন্দ্রসহ ঐতিহ্যবাহী পর্যটন সম্পদের সংরক্ষণ, পুনর্বাসন এবং পর্যটনবান্ধব উন্নয়নের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, প্রতিটি এলাকার জন্য স্বতন্ত্র পর্যটন থিম নির্ধারণ করে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে এবং স্থানীয় জনগণের জীবন-জীবিকার সঙ্গে পর্যটনকে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের পর্যটন খাতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। তাই সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগে পর্যটন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি কর্ণফুলী টানেল ও পদ্মা সেতু সংলগ্ন অতিথিশালাগুলো সাধারণ মানুষের জন্য পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের প্রচারণামূলক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্যারাসেইলিংয়ে পর্যটকের মৃত্যু: তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর
0:00 0:00
1.0x