রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার মরারপাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমেদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসসংলগ্ন একটি জমিতে চাষাবাদের সময় স্থানীয় কয়েকজন দুর্গন্ধ পান। পরে তারা দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুকুরপাড়ে কচুরিপানার ওপর মানুষের একটি পা দেখতে পান। কাছে গিয়ে একটি বস্তা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে বস্তাটি উদ্ধার করে। পরে বস্তা খুলে এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহত নারীর নাম নার্গিস বেগম (৩৫)। তিনি মরারপাড়া গ্রামের লতারপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাসেল মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, স্বামী-স্ত্রী দুজনই ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্থানীয়দের ধারণা, কয়েক দিন আগে অন্য কোথাও নার্গিস বেগমকে হত্যা করে পরিচয় গোপন করতে মরদেহটি বস্তাবন্দী করে ওই নির্জন পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় ঘটনাস্থলে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা সম্ভব হয়নি।
রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) রাসেল রানা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।