Cox News

লামায় বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা সহায়তা


প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

লামায় বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা সহায়তা

লামা-আলীকদম প্রতিনিধি:

রাতের আঁধারে লোকালয়ে নেমে আসা বন্য হাতির পাল কখনো ঘরবাড়ি, কখনো ফসলের খেত নষ্ট করে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন পাহাড়ের সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষেরা। এমন ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বন বিভাগ। তাঁদের মধ্যে মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

আজ রোববার লামায় হাতি সংরক্ষণ ও বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব চেক দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বন অধিদপ্তর ঢাকার প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন ও লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কাইছার হামিদ।

লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সহকারী বন সংরক্ষক মাসুদ আলম।

অনুষ্ঠানে বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬টি পরিবারের প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হয়। মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিতরণ করা হয়।

সভায় হাতি সংরক্ষণ এবং মানুষ ও বন্য হাতির সংঘাত কমানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, বন ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোও জরুরি। হাতির আবাসস্থল সংরক্ষণ ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

লামা ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় বনাঞ্চল ও লোকালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে বিভিন্ন সময় বন্য হাতির বিচরণ দেখা যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ফসল ও বসতবাড়ির ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটে। ক্ষতিপূরণের এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি বয়ে আনবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন।

Cox News

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


লামায় বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা সহায়তা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image


লামা-আলীকদম প্রতিনিধি:


রাতের আঁধারে লোকালয়ে নেমে আসা বন্য হাতির পাল কখনো ঘরবাড়ি, কখনো ফসলের খেত নষ্ট করে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন পাহাড়ের সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষেরা। এমন ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বন বিভাগ। তাঁদের মধ্যে মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।


আজ রোববার লামায় হাতি সংরক্ষণ ও বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব চেক দেওয়া হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বন অধিদপ্তর ঢাকার প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন ও লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কাইছার হামিদ।


লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সহকারী বন সংরক্ষক মাসুদ আলম।


অনুষ্ঠানে বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬টি পরিবারের প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হয়। মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিতরণ করা হয়।


সভায় হাতি সংরক্ষণ এবং মানুষ ও বন্য হাতির সংঘাত কমানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, বন ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোও জরুরি। হাতির আবাসস্থল সংরক্ষণ ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


লামা ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় বনাঞ্চল ও লোকালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে বিভিন্ন সময় বন্য হাতির বিচরণ দেখা যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ফসল ও বসতবাড়ির ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটে। ক্ষতিপূরণের এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি বয়ে আনবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন।


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
লামায় বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা সহায়তা
0:00 0:00
1.0x