প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা সচিবালয়ের সামনে মব সৃষ্টি করছেন। বিদেশি অতিথিদের সামনে সরকারি অনুষ্ঠানগুলোতে মব সৃষ্টি করছেন। তাঁরা মব সৃষ্টি করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার পথ তৈরি করে দিচ্ছেন।
আজ শুক্রবার বিকেলে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, তারা এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের পতন ঘটাতে চায়। সরকারকে চাপে রাখতে একের পর এক হঠকারী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। জামায়াত ভুলে গেছে, তারা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। কাজেই, তারা কখনোই দেশের ক্ষমতায় যেতে পারবে না। ক্ষমতায় যেতে হলে জামায়াত-এনসিপিকে অন্তত ১০ বছর বিরোধী দলে থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ এখন নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল। তাদের আর দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা যেভাবে মব সৃষ্টির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, তাতে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ তাঁরাই করে দিচ্ছেন। তাঁদের মনে রাখতে হবে, বিএনপি মরলে জামায়াতকেও মরতে হবে। আওয়ামী লীগ ফিরলে দমন-পীড়ন যেভাবে বেড়ে যাবে, তা ভাবতেও পারছেন না।
ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন নিয়ে রাশেদ বলেন, ‘উনি একটি অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। অনেকে বলছে, এটা এআই জেনারেটেড। উনি দেশে ফিরে আসুক, আইনের মুখোমুখি হোক। জাতির কাছে ক্ষমা চাক। তিনি যে খুন-গুম করেছেন, তা ক্ষমার অযোগ্য।’
এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ বিএনপির অন্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।