রাজধানীর পল্লবীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মো. আলমগীর নামে বিএনপির এক নেতা আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় জোছনা বেগম নামে এক নারীও আহত হয়েছেন।
আলমগীরের দূর সম্পর্কের চাচা মো. আশিক সমকালকে বলেন, ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য আলমগীর। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। পরিবার নিয়ে পল্লবী থানার মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনে থাকেন। বিকেলে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে ঘটনাস্থল দুই নম্বর সড়কের বি–ব্লকে একটি চায়ের দোকানের সামনে যান। তখন একটি প্রাইভেটকারে করে আসা চার ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় তার মাথার ডান পাশে, পেটের ডান পাশে এবং ডান নিতম্বে গুলি লাগে। হামলার পর অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
তিনি জানান, স্বজনরা প্রথমে আলমগীরকে স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে দ্রুত অস্ত্রোপচার দরকার।
পুলিশ সূত্র বলছে, হামলার সঙ্গে জড়িতরা স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের মধ্যে দুজন হলেন, রুবেল ও বাপ্পা। তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তবে হামলার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসিরের মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।