Cox News

শিশু ঝুমুর ধর্ষণ-হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড


প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

শিশু ঝুমুর ধর্ষণ-হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মফিজুল ইসলাম মফু নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. ইয়াছিন আরাফাত এ রায় দেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের খেয়াইশ গ্রামের সোনালী শিশু বিদ্যানিকেতনের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী (৯) স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে খেয়াইশ ঠাকুরবাড়ি এলাকার একটি ধানখেত থেকে ঝুমুরের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তার স্কুলব্যাগ, স্কুলড্রেস ও জুতা উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনাস্থল থেকে মফিজুল ইসলাম মফুকে দ্রুত চলে যেতে দেখেন। এ ঘটনার পরদিন নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে উপজেলার খিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফুকে একমাত্র আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার ৩ দিন পর র্যাব চাঁদপুরে অভিযান চালিয়ে আসামি মফিজুল ইসলাম মফুকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে তিনি শিশু ঝুমুরকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন।

মফিজুল ইসলাম মফু কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।

নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর বদিউল আলম সুজন বলেন, এ রায় সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বিষয় : কুমিল্লা

Cox News

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


শিশু ঝুমুর ধর্ষণ-হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুমিল্লায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মফিজুল ইসলাম মফু নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. ইয়াছিন আরাফাত এ রায় দেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের খেয়াইশ গ্রামের সোনালী শিশু বিদ্যানিকেতনের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী (৯) স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে খেয়াইশ ঠাকুরবাড়ি এলাকার একটি ধানখেত থেকে ঝুমুরের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তার স্কুলব্যাগ, স্কুলড্রেস ও জুতা উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনাস্থল থেকে মফিজুল ইসলাম মফুকে দ্রুত চলে যেতে দেখেন। এ ঘটনার পরদিন নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে উপজেলার খিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফুকে একমাত্র আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার ৩ দিন পর র্যাব চাঁদপুরে অভিযান চালিয়ে আসামি মফিজুল ইসলাম মফুকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে তিনি শিশু ঝুমুরকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন।

মফিজুল ইসলাম মফু কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।

নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর বদিউল আলম সুজন বলেন, এ রায় সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
শিশু ঝুমুর ধর্ষণ-হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
0:00 0:00
1.0x