Cox News

সালিশে নাতিকে মারধর, রক্ষা করতে গিয়ে কিল-ঘুসিতে দাদা নিহত


প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

সালিশে নাতিকে মারধর, রক্ষা করতে গিয়ে কিল-ঘুসিতে দাদা নিহত
পাগলা থানা, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলায় মোবাইল চুরির ঘটনায় সালিশি বৈঠকে নাতিকে বেঁধে রেখে মারধরের সময় বাঁচাতে গিয়ে কিল-ঘুসিতে নবী হোসেন (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের আটপাড়া গ্রামে বাদল মার্কেটে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার হাটপাড়া গ্রামের দুলালের ছেলে রাবিনের মোবাইল চুরি হয়। মোবাইল চুরি সন্দেহে একই গ্রামের শারফুলের ছেলে রানাকে (২০) অভিযুক্ত করা হয়। পরে তকে বাড়ি থেকে ধরে বাদল মার্কেটে এলাকায় নিয়ে সালিশ বসানো হয়। সালিশ বৈঠকের একপর্যায়ে রানাকে খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়।

নাতির চিৎকারে বৃদ্ধ দাদা মো. নবী হোসেন এগিয়ে যান। এ সময় সালিশে উপস্থিত লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে নাতিকে চোর আখ্যা দিয়ে বৃদ্ধ নবী হোসেনকে ধরে বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি  কিল-ঘুসি মারতে শুরু করেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে যান।

খবর পেয়ে স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় নবী হোসেনকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাতিজা জলিল জানান, মিথ্যা মোবাইল চুরির অভিযোগে রানাকে ধরে নিয়ে মারধর করছিল। নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে আমার চাচা নবী হোসেনও মারধরের শিকার হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাগলা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিষয় : নিহত ময়মনসিংহ

Cox News

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


সালিশে নাতিকে মারধর, রক্ষা করতে গিয়ে কিল-ঘুসিতে দাদা নিহত

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলায় মোবাইল চুরির ঘটনায় সালিশি বৈঠকে নাতিকে বেঁধে রেখে মারধরের সময় বাঁচাতে গিয়ে কিল-ঘুসিতে নবী হোসেন (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের আটপাড়া গ্রামে বাদল মার্কেটে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার হাটপাড়া গ্রামের দুলালের ছেলে রাবিনের মোবাইল চুরি হয়। মোবাইল চুরি সন্দেহে একই গ্রামের শারফুলের ছেলে রানাকে (২০) অভিযুক্ত করা হয়। পরে তকে বাড়ি থেকে ধরে বাদল মার্কেটে এলাকায় নিয়ে সালিশ বসানো হয়। সালিশ বৈঠকের একপর্যায়ে রানাকে খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়।

নাতির চিৎকারে বৃদ্ধ দাদা মো. নবী হোসেন এগিয়ে যান। এ সময় সালিশে উপস্থিত লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে নাতিকে চোর আখ্যা দিয়ে বৃদ্ধ নবী হোসেনকে ধরে বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি  কিল-ঘুসি মারতে শুরু করেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে যান।

খবর পেয়ে স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় নবী হোসেনকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাতিজা জলিল জানান, মিথ্যা মোবাইল চুরির অভিযোগে রানাকে ধরে নিয়ে মারধর করছিল। নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে আমার চাচা নবী হোসেনও মারধরের শিকার হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাগলা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সালিশে নাতিকে মারধর, রক্ষা করতে গিয়ে কিল-ঘুসিতে দাদা নিহত
0:00 0:00
1.0x