Cox News

হিজলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০


প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

হিজলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০
প্রতীকী ছবি

বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরব্দী ইউনিয়নের মান্দ্রা বাজার এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও দলীয় কোন্দলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়কসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে গৌরব্দী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দীন ব্যাপারী, যুগ্ম আহ্বায়ক আলম শরীফ সিকদার, জসিম উদ্দীন সিকদার, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন বাবুর্চি এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার মাঝির নাম জানা গেছে। আহত নেতাদের হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গৌরব্দী ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনির হোসেন দেওয়ানের অনুসারী ও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দীন ব্যাপারী। রোববার বিকেলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মান্দ্রা বাজারে গণসংযোগে যান তিনি।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে আসরের নামাজ আদায় করে স্থানীয় মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর তাঁর ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এ সময় নেতাকর্মীরা প্রতিরোধের চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকনের অনুসারী এবং বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ইসমাইল মোল্লা ও বিএনপি নেতা নোমান মাস্টারের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে এ হামলা চালায়। হামলাকারীরা আসন্ন নির্বাচনে তানভীর তালুকদার নামে অপর এক প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে আসছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে গৌরব্দী ইউনিয়নের চান্দু নামের এক ছাত্রদল নেতাকে মারধর করেছিলেন ইসমাইল মোল্লা। পরে ফরিদ উদ্দীন ব্যাপারীর অনুসারীরা ইসমাইল মোল্লার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে। স্থানীয়দের ধারণা, ওই পূর্বশত্রুতা এবং নির্বাচনী বিরোধের জেরেই রোববার পরিকল্পিতভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে হিজলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে হিজলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাশার বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।’

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাপেক্ষে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিষয় : বিএনপি জেলার খবর সংঘর্ষ বরিশাল বিভাগ হিজলা

Cox News

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


হিজলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরব্দী ইউনিয়নের মান্দ্রা বাজার এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও দলীয় কোন্দলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়কসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে গৌরব্দী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দীন ব্যাপারী, যুগ্ম আহ্বায়ক আলম শরীফ সিকদার, জসিম উদ্দীন সিকদার, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন বাবুর্চি এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার মাঝির নাম জানা গেছে। আহত নেতাদের হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গৌরব্দী ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনির হোসেন দেওয়ানের অনুসারী ও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দীন ব্যাপারী। রোববার বিকেলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মান্দ্রা বাজারে গণসংযোগে যান তিনি।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে আসরের নামাজ আদায় করে স্থানীয় মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর তাঁর ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এ সময় নেতাকর্মীরা প্রতিরোধের চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকনের অনুসারী এবং বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ইসমাইল মোল্লা ও বিএনপি নেতা নোমান মাস্টারের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে এ হামলা চালায়। হামলাকারীরা আসন্ন নির্বাচনে তানভীর তালুকদার নামে অপর এক প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে আসছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে গৌরব্দী ইউনিয়নের চান্দু নামের এক ছাত্রদল নেতাকে মারধর করেছিলেন ইসমাইল মোল্লা। পরে ফরিদ উদ্দীন ব্যাপারীর অনুসারীরা ইসমাইল মোল্লার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে। স্থানীয়দের ধারণা, ওই পূর্বশত্রুতা এবং নির্বাচনী বিরোধের জেরেই রোববার পরিকল্পিতভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে হিজলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে হিজলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাশার বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।’

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাপেক্ষে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
হিজলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০
0:00 0:00
1.0x