শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময় তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
বুধবার (২২ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে পুলিশ যখন তাকে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন কয়েকজন পুলিশ সদস্য নাকি তার কানে কানে বলেন, এই সরকারকে সরিয়ে দিন।
রাহুল গান্ধীর দাবি, ধস্তাধস্তির সময় পুলিশ সদস্যরা ফিসফিস করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, আমরা হরিয়ানা বা রাজস্থানের বাসিন্দা। শুধু খাকি পোশাকের খাতিরে আমাদের ডিউটি করতে হচ্ছে। রাহুল আরও বলেন, ওই পুলিশদের নিজেদের সন্তানরাও এই বাজে শিক্ষাব্যবস্থার শিকার, তাই সরকারের এই কর্মকাণ্ডে পুলিশ সদস্যরাও ভেতরে ভেতরে ক্ষুব্ধ।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনশিক্ষার্থীদের আইনি সুরক্ষার আশ্বাসে অনশন ভাঙতে চান ওয়াংচুক
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস নেতারা হঠাৎই ধর্নায় বসেন। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ জোর করে রাহুল গান্ধীকে হাত-পা ধরে টেনে নিয়ে যায়। সেই সময় তার নাক থেকে রক্ত ঝরতেও দেখা যায়।
এ বিষয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে জনগণের যন্ত্রণা তুলে ধরাই আমার কাজ। এর জন্য দুটো ঘুষি খাওয়া বা আঘাত পাওয়া খুব সাধারণ বিষয়, দেশের স্বার্থে আমি আরও আঘাত সহ্য করতে রাজি।
সংবাদ সম্মেলনে মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করে রাহুল জানান, গত ১০ বছরে দেশে অন্তত ১৫২টি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, অথচ কারও কোনো শাস্তি হয়নি। শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করার দায়ে তিনি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের দ্রুত পদত্যাগ দাবি করেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।