Cox News

বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর


প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর |ছবি : নয়া দিগন্ত

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসছে। এই বছর না হোক, সামনের বছর প্রথম দিকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। নির্বাচন হবে একেবারে নিরপেক্ষ। এখানে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামী কোনো সুবিধা পাবে না, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। জনগণের ভালোবাসা নিয়েই নির্বাচিত হতে হবে।

তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থেই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি যেটা, যে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে—সেভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে আসবেন।

বুধবার বিকেলে কাকরাইল ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং ইনিস্টিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ইনশাআল্লাহ, আপনারা যে ট্রাস্টের কথা বলেছেন, ফান্ডের কথা বলেছেন, আমরা চেষ্টা করবো, যাতে করে এগুলো সঠিকভাবে আপনারা ব্যবহার করতে পারেন, সে ব্যবস্থা আমরা অবশ্যই করবো। লোকাল গভর্মেন্ট থেকে আপনাদের এটুকু নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, আমরা সঠিক পথে, ন্যায়ের পথে এবং আপনাদের উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করে যাবো।

সরকার নির্বাচনের পূর্বে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে বলে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, রেশন কার্ড, ইমাম, পুরোহিত, মেম্বারদের ভাতা, খাল খনন কর্মসূচি—এই কাজগুলো কিন্তু শুরু করেছে সরকার। আর প্রথমবার এসে, প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মাফ করে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, নারীদেরকে ক্ষমতায়ন করতে হবে, অন্যদিকে শিক্ষাব্যবস্থাটাকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে। এই শিক্ষাব্যবস্থাটাকে আগাতে না পারলে আমরা সামনে এগোতে পারবো না। আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকেও কিন্তু এই স্থানীয় সরকারের কাছে আনা দরকার, যাতে করে তারা তাদের ভূমিকা রাখতে পারেন, মানুষের স্বাস্থ্যসেবার যেন উন্নতি হয়—সে ব্যবস্থা আপনাদেরকে দেখতে হবে।

দেশে বিভাজনের রাজনীতির অপচেষ্টা হচ্ছে- এমন অভিযোগ তুলে জনপ্রতিনিধিদের বলেন, ধর্মের নাম নিয়ে আমাদেরকে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, এটাও আমাদের জন্য সঠিক নয়। আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি, আমরা সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ। কিন্তু আমাদের ধর্মে পরিষ্কার করে বলা হচ্ছে, অন্য ধর্মকে যেন আমরা খাটো করে না দেখি, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র হচ্ছে সবার।

বিষয় : মির্জা ফখরুল

Cox News

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসছে। এই বছর না হোক, সামনের বছর প্রথম দিকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। নির্বাচন হবে একেবারে নিরপেক্ষ। এখানে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামী কোনো সুবিধা পাবে না, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। জনগণের ভালোবাসা নিয়েই নির্বাচিত হতে হবে।

তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থেই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি যেটা, যে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে—সেভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে আসবেন।

বুধবার বিকেলে কাকরাইল ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং ইনিস্টিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ইনশাআল্লাহ, আপনারা যে ট্রাস্টের কথা বলেছেন, ফান্ডের কথা বলেছেন, আমরা চেষ্টা করবো, যাতে করে এগুলো সঠিকভাবে আপনারা ব্যবহার করতে পারেন, সে ব্যবস্থা আমরা অবশ্যই করবো। লোকাল গভর্মেন্ট থেকে আপনাদের এটুকু নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, আমরা সঠিক পথে, ন্যায়ের পথে এবং আপনাদের উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করে যাবো।

সরকার নির্বাচনের পূর্বে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে বলে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, রেশন কার্ড, ইমাম, পুরোহিত, মেম্বারদের ভাতা, খাল খনন কর্মসূচি—এই কাজগুলো কিন্তু শুরু করেছে সরকার। আর প্রথমবার এসে, প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মাফ করে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, নারীদেরকে ক্ষমতায়ন করতে হবে, অন্যদিকে শিক্ষাব্যবস্থাটাকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে। এই শিক্ষাব্যবস্থাটাকে আগাতে না পারলে আমরা সামনে এগোতে পারবো না। আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকেও কিন্তু এই স্থানীয় সরকারের কাছে আনা দরকার, যাতে করে তারা তাদের ভূমিকা রাখতে পারেন, মানুষের স্বাস্থ্যসেবার যেন উন্নতি হয়—সে ব্যবস্থা আপনাদেরকে দেখতে হবে।

দেশে বিভাজনের রাজনীতির অপচেষ্টা হচ্ছে- এমন অভিযোগ তুলে জনপ্রতিনিধিদের বলেন, ধর্মের নাম নিয়ে আমাদেরকে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, এটাও আমাদের জন্য সঠিক নয়। আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি, আমরা সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ। কিন্তু আমাদের ধর্মে পরিষ্কার করে বলা হচ্ছে, অন্য ধর্মকে যেন আমরা খাটো করে না দেখি, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র হচ্ছে সবার।


Cox News


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
0:00 0:00
1.0x