জাতীয় সংসদে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৫ সালের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের অডিট প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে। এতে দেখানো হয়েছে, গতবছরে ব্যয় মোট আয়ের তুলনায় কিছুটা বেশি। তারপরও আগের বছরের সঞ্চিত অর্থের কারণে বছর শেষে ১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৮ টাকার সমাপনী স্থিতি বজায় রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবের কাছে দলটির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়া হয়। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে এই হিসাব দাখিল করেন। এতে স্বাক্ষর করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াতের দেয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছরের শুরুতে জামায়াতের প্রারম্ভিক স্থিতি ছিল ১৫ কোটি ৭৩ লাখ ৭ হাজার ২২৩ টাকা। এরপর সদস্যদের অনুদান, চাঁদা ও অন্যান্য উৎস থেকে দলটির মোট আয় হয় ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৪ হাজার ১৩৯ টাকা। ফলে প্রারম্ভিক স্থিতিসহ মোট তহবিলের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৯ কোটি ৪১ লাখ ৩১ হাজার ৩৬২ টাকা।
একই সময়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম, সাংগঠনিক পরিচালনা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খাতে দলটির মোট ব্যয় হয়েছে ২৩ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩৪ টাকা। অর্থাৎ, বছরের অর্জিত আয়ের তুলনায় ব্যয় ছিল ২৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৫ টাকা বেশি।
তবে আগের বছরের উদ্বৃত্ত অর্থ থাকায় আর্থিক অবস্থানে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।
অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর শেষে জামায়াতের হাতে নগদ রয়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ১৩ হাজার ৬৫ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৩১ হাজার ৩৬৩ টাকা। সব মিলিয়ে দলটির সমাপনী স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৮ টাকা।
এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সাথে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘৩১ জুলাই হিসাব দাখিলের শেষ দিন। তাই আমরা এই হিসাব আজ জমা দিয়েছি ইসিতে।’