সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে মক্কায় ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে প্রাইভেট কার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে রিয়াদ-মক্কা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত হয়েছেন পরিবারের আরও দুই সদস্য।
নিহতরা হলেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও পুঠিয়া গ্রামের বাসিন্দা নাজিমুদ্দিন মোল্যার সেজো মেয়ে তানিয়া তাহমিনা রিনা (৪৫), রিনার মেয়ে জারা (১৫) এবং ছেলে তাসবিক (২০)। আহত হয়েছেন রিনার স্বামী শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিল। তাঁদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তানিয়া তাহমিনা রিনার ভাই তৌহিদ মোহাম্মাদ মুরাদ। তিনি জানান, তাঁর ভগ্নিপতি শফিকুল ইসলাম ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা। তাঁর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। তিনি প্রায় ২৬ বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন এবং একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত আছেন। বর্তমানে তিনি রিয়াদ শহরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।
আজ সকালে পরিবারটি রিয়াদ থেকে একটি প্রাইভেট কারে মক্কায় ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তৌহিদ মোহাম্মাদ মুরাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রিয়াদ থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার যাওয়ার পর পেছন থেকে একটি বড় গাড়ি প্রাইভেট কারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
দুর্ঘটনায় আহত শফিকুল ইসলাম ও বড় ছেলে নাবিলকে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা প্রাইভেটকারের সামনে বসে ছিলেন। ধাক্কাটা গাড়ির পেছন থেকে লাগায় তাঁরা বেঁচে গিয়েছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছে, বর্তমানে দু’জনই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।