সেলিম উদ্দিন:
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং বাজার ও লম্বাশিয়া কাটা তাঁরের অভ্যন্তরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে একাধিক বেকারি। এসব বেকারির বেশ কয়েকটিতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই স্থানীয়দের ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বেকারিতে রোহিঙ্গা শ্রমিকদের দিয়ে অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের বেকারির খাদ্য পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। খাদ্য তৈরির স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় উৎপাদিত এসব খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অনুমোদন ও খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করে উৎপাদিত নিম্নমানের খাবার বাজারজাতের ফলে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে এমনটাই আশংকা করছেন।। এসব খাবার খেয়ে বিভিন্ন রোগব্যাধি ও শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
সম্প্রতি উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার লম্বাশিয়া রোড এলাকায় একটি বেকারিতে অভিযান পরিচালনা করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, লম্বাশিয়া ও কুতুপালং এলাকায় আরও যেসব বেকারি রয়েছে, সেগুলোতেও ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন, পরিবেশ ছাড়পত্র, খাদ্যমান ও স্বাস্থ্যবিধি যাচাই করা প্রয়োজন।সচেতন মহল বলছেন, শুধু একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। উল্লেখিত এলাকায় গড়ে ওঠা সব বেকারির বৈধতা, ট্রেড লাইসেন্স, খাদ্য উৎপাদনের অনুমোদন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাদ্যপণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে কি না,তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি করা জরুরি বলেও মনে করছেন।এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভোক্তা-বাসিন্দারা।