যৌতুকের জন্য নির্যাতিত রেনু আক্তার দুই শিশু নিয়ে পড়েছে বিপাকে

0
135

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার হয়ে দুই মেয়ে শিশু নিয়ে অনাহারে দিনাতিপাত করছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা খুরুশকুল ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের লমাজি পাড়া এলাকার রেনু আক্তার। 

তার স্বামী জিয়াবুল হক দীর্ঘদিন তাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছে এবং বেশ কয়েকবার শারীরিক নির্যাতন করে তার বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রেনু আক্তার। এবং তার স্বামী জিয়াবুল একজন নারী লোভী ও দ্বিতীয় স্ত্রীও গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন।

এই ঘটনা সম্পর্কে রেনু আক্তার কক্স নিউজ বিডি (সিএনবি) জানায়- 
আমি রেনু আকতার জিয়াবুল হকের ১ম স্ত্রী হয়। আমাদের বিয়ে হয় গত ২০১৫ সালে।২০১৫ সাল থেকে আমি আমার স্বামীর সাথে পেকুয়া তথা আমার শুশুর বাড়িতে স্বামীর সাথে সংসার করে আসছিলাম।
বর্তমানে আমার দুইটা মেয়ে সন্তান রয়েছে।আমার বড় মেয়ের নাম সামিয়া সুলতানা লিজা মণি,আমার ছোট মেয়ের নাম নিশাত মণি। ০৫ বছর সংসার জীবনে আমাকে আমার স্বামী যৌতুকের জন্য নানান ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করে আসতেছিলো।যৌতুকের টাকার জন্য আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে অনেকবার বাপের বাড়িতে তাড়িয়ে দিয়েছিলো। তারপরও আমি শত কষ্ট সহ্য করে সন্তানদের মুখে তাকিয়ে সংসার করে আসছি। 

আমার স্বামী একজন নারী লোভী তার অপকর্মে বাধা দিলে আমাকে মারধর করে।পরবর্তীতে আমার স্বামী আমাকে না জানিয়ে বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করে ০৪ চার মাস আগে। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম মুন্নি আক্তার।তার ঠিকানা টৈটং বাজার। তার দ্বিতীয় বউকে বিয়ে না করার আগে তার বউয়ের বোনের সাথে এক বছর অবৈধ ভাবে মেলামেশা করে।পরে তার বড় বোন মুন্নি কে বিয়ে করে।

একবার আমার স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুন্নি আকতার মিলে আমার বড় মেয়ে লিজা কে অপহরণ করে হত্যা করার প্রচেষ্টা চালায় কিন্তু ঠিক এহেন মুহুর্তে আমি গিয়ে আমার বড় মেয়েকে পাড়া প্রতিবেশী সহ উদ্ধার করি।প্রতিনিয়ত আমার স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুন্নি আক্তার  আমাকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে হুমকি দেয় যাতে আমি কোন ধরণের থানা পুলিশ অথবা মামলার আশ্রয় গ্রহণ না করি। যদি আশ্রয় নি তাহলে আমাকে হত্যা করার হুমকি দেয় তারা। 

এখন আমার শুশুর বাড়ির লোকজন ও আমাকে মেরে তাড়িয়ে দিছে।পরে নিরুপায় হয়ে আমি নারী কোর্টে বাদি হয়ে অভিযোগ করে। এবং গতকাল আমার স্বামী আমাকে কল করে হুমকি দিয়ে বলে অভিযোগ না করতে এবং আরো বলে অভিযোগ করে মামলা করে আমার কেউ কিছু করতে পারবেনা।পরে বিদেশ চলে যাওয়ার হুমকি ও দেয় আমাকে।

এখন আমি দরিদ্র পিতার সংসারে দুইটা মেয়েকে সাথে নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছি।তাই আমি জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার মহোদয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।না হয় আমি দুইটা মেয়ে নিয়ে বাচাঁ কঠিন হয়ে যাবে। আমি আমার স্বামী জিয়াবুল হকের সুষ্ঠু বিচার। 

article bottom

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here