জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে বাজার স্থানান্তর

0
125

সিএনবি,ডেস্ক নিউজঃ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সতর্কতা হিসেবে বর্তমানে যে শারীরিক বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হচ্ছে তার ভিন্ন চিত্র দেখা যায় কাঁচা বাজারে।বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অনেক বাজারে বেশির ভাগের অবস্থা আগের মতোই।ক্রেতাদের ভিড় আর লোকসমাগমের পুরনো চিত্র এখনো বর্তমান।

অনেক বাজারের ন্যায় যার সাদৃশ্য কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন বাজারের চিত্র।সরজমিনে রামু ফকিরা বাজারে গিয়ে দেখা যায় বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ঠিকই আগের ন্যায়।নিরাপদ দূরত্ব না মেনে অনেক মানুষ গা ঘেঁষে কেনাকাটা করছে। ফলে ছোঁয়াচে করোনাভাইরাস দ্রুতই অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
যদিও দিনের একটা সময় প্রশাসন বা দ্বায়িত্ব প্রাপ্তরা বাজারে গিয়ে লোকজনকে বুঝিয়ে বাজার থেকে সরিয়ে দিলে বা নিরাপদ দূরত্বে থাকার কথা বললে ও কিন্তু এর পরের চিত্র  আবার ও একই।
হাট বাজার মানেই লোকসমাগম,অনেক মানুষের আনাগোনা।জীবিকার তাগিদে ও খেয়ে বেঁচে থাকতে আতঙ্কের মধ্যেও অনেকের গা ঘেঁষাঘেঁষি করে জিনিসপত্র কিনতে বাজারে যেতে হয়।যার ফলে হাট বাজারে অবস্থানরত ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকি বেশি। এ প্রেক্ষিতে করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব মোবাবেলায় হাট বাজার গুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাগণের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রয় বিক্রয় নিশ্চিত করণের বাজার স্থানান্তরিত করা জরুরি। সামাজিক দূরত্ব ও নিয়ম মেনে যেমনটা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাজার গুলো সাময়িক সময়ের জন্য উন্মুক্ত মাঠে স্থানান্তিরত করা হয়েছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে যেসব জায়গায় বাজার স্থানান্তরিত করা হয়েছে সেসবের ন্যায় যদি অন্য বাজারগুলো ও সাময়িক সময়ের জন্য বড় কোনো জায়গায় স্থানান্তরিত করা হলে দূরত্ব দিয়ে দোকানগুলো বসিয়ে এবং ক্রেতাদের জন্য প্রবেশ ও বাহিরের আলাদা ব্যবস্থা করা গেলে সামাজিক দূরত্ব অনেকটা মেনে চলা হবে এবং লোকজনের মনে আতঙ্ক অনেকটা কমে যাবে।
এই ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন, বাজার সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ইজারাদারদের মূল্যবান সিদ্ধান্তই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

article bottom

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here