মহেশখালীর শীর্ষ সন্ত্রাসী আইয়ুব আলী,জনপ্রিয়তারও শীর্ষে

0
84

আহ্সান উল্লাহ্,মহেশখালী প্রতিনিধিঃ মহেশখালীর হোয়ানকের কালাগাজীর পাড়ার আইয়ুব বাহিনীর প্রধান আইয়ুব আলী সঙ্গত কারণে সরকারের চোখে, আইনের খাতায় ও পুলিশের তালিকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী,দাগী,খুনী, অস্ত্রধারী, ফেরারী আসামী হলেও নিজ এলাকার শতকরা ৯৫% ভাগ মানুষের কাছে জনপ্রিয় ছিল, তার প্রমাণ দেখিয়ে আজ ৮ নভেম্বর স্বচ্ছায় আইনের কাছে আত্নসমর্পনের উদ্দ্যেশ্যে সেইফ হোমে চলে গেছে।

এসময় হাজার হাজার জনতা তার জামিনে মুক্তির দাবীতে শ্লোগান দিয়ে তাকে আইনের হাতে তুলে দেন। কেন তার এতো জনপ্রিয়তা এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে এলাকাবাসীরা জানান, আইয়ুব এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকারি তার প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড প্রতিহত করতে গিয়ে নিজে সন্ত্রাসী হয়ে গেলেও  এলাকার সাধারণ, জনতা নারী পুরুষের কোন ক্ষতি করেনি। 

চুরি, ডাকাতি,রাহাজানি,চাঁদাবাজী করেনি তাই সাধারণ মানুষ তাকে ভালোবাসে। অপর দিকে তাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপ এলাকা ছাড়া হয়ে বিক্ষিপ্ত জীবণ যাপন করছে। ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর তৎকালীন চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর এর সাংবাদিক বর্তমানে আনন্দ টিভির বিশেষ প্রতিনিধি এম,এম, আকরাম হোসাইন মহেশখালী- কুতুবদিয়ার ৪৩ জলদস্যু, অন্ত্রধারি ও সন্ত্রাসীদের আত্নসমর্পন করে  স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে উদ্বুদ্ধ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে র‍্যাবের হাতে আন্তসমর্পন করিয়েছিলেন তখনও আইয়ুব বাহিনীর ৯ সদস্যকে নিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আইয়ুবকে আত্নসমর্পন করাতে পারেনি। সেই থেকে তার পেছনে দীর্ঘ আরো এক বছর সময় ব্যয় করে চলতি বছর দ্বীতিয় দফায় পুলিশের মাধ্যমে আত্নসমর্পনে রাজি করাতে সক্ষম হন। 

এই একটি বছরে আমিও স্থানীয় সাংবাদিক হিসেবে মহেশখালী থানার সাবেক ওসি বর্তমানে টেকনাফ থানায় কর্মরত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের অনুরোধে আকরাম ভাইয়ের পাশাপাশি আইয়ুবকে আত্নসমর্পনে উদ্বুদ্ধ করি। তখন সে বার বার একটি কথাই বলতো যে, আমি আত্নসমর্পন করার দিন মন্ত্রী এবং প্রশাসনের উপস্থিতিতে অামি দেখিয়ে দেব যে আমি সাধারণ মানুষের কোন ক্ষতি করিনি এবং তারা আমার কারণে শান্তিতে বসবাস করতে পারছে, তারা আমাকে চায় এটা আমি প্রমাণ করে দেবো। আজ এতো বড় একজন সন্ত্রাসীর আত্নসমর্পনে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি তারই ইঙ্গিত বহন করে।  তার কৃতকর্ম অপরাধ বাস্বতার নিরীখে আইনের চোখে বিচার বিশ্লষণ করে বিচারে তার জেল,জরিমানা, সাজা,খালাস যাই হোক না কেন, সেটি আইন আদালতের এখতিয়ার। তবে আইয়ুব সহ মহেশখালী তথা কক্সবাজার উপকূলের যে সকল সন্ত্রাসী অস্ত্রধারী, জলদস্যু নিজেদের কৃতকর্মের ভুল ভ্রান্তি বুঝতে পেরে সন্ত্রাসী ও ফেরারী জীবন পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে রাজী হয়েছে তাদের ভালো পথে ফিরতে সুযোগ দেয়া উচিৎ বলে মনে করি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here