ফের পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে’ যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামী দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন

0
91

মোহাম্মদ শফি: সিএনবি টেকনাফ প্রতিনিধি: টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামী দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গত রাত ১২টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জামিদুড়া চাইল্ড ফ্রেন্ডলি স্পেস অফিসের পেছনের পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দু’টি এলজি, শর্টগানের সাতটি তাজা কার্তুজ ও নয় রাউন্ড কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি ব্লকের ৩৫১২২ নম্বর এমআরসিধারী ৮৮০/৬০ নম্বর সেডের ১/২ নম্বর রুমে বসবাসকারী সৈয়দ হোসেনের ছেলে নেছার আহাম্মদ ওরফে নেছার ডাকাত (২৭) ও একই শিবিরের সি ব্লকের ৪৫৯৫০ নম্বর এমআরসিধারী ৮৩৮ নম্বর সেডের ১ নম্বর রুমের জমির আহম্মদের ছেলে আব্দুল করিম ওরফে করিম ডাকাত (২৪)।

নিহত দু’জন মিয়ানমারের মংডু পুইমালী ও হাইসুরাতা এলাকার বাসিন্দা। তারা এখানকার চিহ্নিত রোহিঙ্গা ডাকাত বলে জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন টেকনাফ মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কাজী সাইফ উদ্দিন, কনস্টেবল নাবিল ও রবিউল ইসলাম।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, রাতে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যাসহ একাধিক মামলার কয়েকজন পলাতক আসামি হ্নীলা জামিদুড়া চাইল্ড ফ্রেন্ডলি স্পেস অফিসের পেছনের পাহাড়ে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে তার (ওসি) নেতৃত্বে এক দল পুলিশ সেখানে অভিযানে গেলে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। কিছুক্ষণ গুলি বিনিময়ের পর অন্য আসামিরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যান।

তবে গুলিবিদ্ধ হওয়ায় এ সময় পালাতে পারেননি আব্দুল করিম ও নেসার নামে দুই আসামি। পরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি ও স্থানীয়দের নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলিসহ গুলিবিদ্ধ দু’জনকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহতদের ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here