টেকনাফ ভারীবর্ষণে পর্যাপ্ত ক্ষয়ক্ষতি,নিহত- ২, আহত ১০

0
97

সিএনবি নিজস্ব প্রতিবেদক: টেকনাফে টানা ভারীবর্ষণে বসত-বাড়ি ধ্বস ও মৎস্যঘেঁরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বাড়ি চাপা পড়ে দুই শিশু নিহত এবং কমপক্ষে আরো ১০-১২ জন আহত হয়েছে।

জানা যায়, ১০সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) ভোররাতে উপজেলার পৌর এলাকার পুরান পল্লান পাড়ায় পৃথক পাহাড় ধ্বসে বসত-বাড়ি চাপা পড়ে মোঃ আলমের মেয়ে আলিফা (৫) ও রবিউল আলমের ছেলে মেহেদী হাসান (১০), জাফর আলমের মেয়ে শারমিন (৭), আব্দুস সালামের মেয়ে আলিমা (১৭) সহ মা-বাবা, ভাই-বোন ও চাচা-চাচী প্রায় ১০জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের স্থানীয় লোকজন, সিপিপি ভলান্টিয়ার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলিফ ও মেহেদী মারা যায়। এছাড়া গুরুতর আহত শারমিন ও আলিমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

এই ঘটনার খবর পেয়ে সকাল হতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশেষ টিম নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানের পাহাড় ও টিলায় ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার অভিযানে নামেন।

এছাড়া এই টানা বর্ষণে উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ পৌরসভা, সদর, সাবরাং ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পাহাড়ী এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে প্রায় শতাধিক বসত-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। স্ব স্ব এলাকার জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সরেজমিনে পরিদর্শনে রয়েছে।

এই ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাসান জানান,অতিবৃষ্টিতে পাহাড় ধ্বসে প্রাণহানির ঘটনা মাথায় রেখে সর্তকতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছিল। হঠাৎ চলতি ভারী বর্ষণে ঘর চাপা পড়ে ১০/১২জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় সিপিপি ভলান্টিয়ার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লোকজন তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু মেহেদী হাসান ও আলিফা মারা যায়। এছাড়া বসত-বাড়ি ধ্বসে ক্ষয়ক্ষতি এবং মৎস্যঘেঁর ভেসে যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি আরো জানান এখনো ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুতি চলছে তাই ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য বলা যাচ্ছেনা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here