টেকনাফে হাকিম ডাকাত ধরতে মরিয়া র‌্যাব

0
193

নাছির উদ্দিন রাজ, টেকনাফ প্রতিনিধি ॥ গহীন পাহাড়ে র‌্যাবের হেলিকপ্টার চক্কর কক্সবাজারের টেকনাফে গহীন পাহাড়ে অব¯’ান করা রোহিঙ্গা ডাকাতদের পাকড়াও এবং তাদের আ¯’ানা সনাক্ত করতে  র‌্যাব  হেলিকপ্টার যোগে চক্কর দিয়েছে। এসময় বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক জায়গা নজর এসেছে। ভবিষ্যতে ওইসব ¯’ানে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর লেঃ মির্জা মাহতাব। হেলিকপ্টার চক্করকালে পাহাড়ের পাদদেশের বিভিন্ন পয়েন্ট র‌্যাব-পুলিশ অব¯’ান করেছিল।

৬ নভেম্বর দুপুর ১ টারদিকে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প (নং- ২৬) এর ঘেষা পাহাড়ে হেলিকপ্টার চক্কর দিতে দেখা যায়। এসময় বিপুল সংখ্যক র‌্যাব সদস্য মোতায়েন ছিল।

সুত্রে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা টেকনাফ উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসসহ ৩৪টি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়।

এদের কিছু বেপরোয়া দুষ্কৃতিকারী রোহিঙ্গা মাদক, ডাকাতি, চুরি, হত্যা ও বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা আবদুল হাকিম ডাকাত ও রোহিঙ্গা সলিম ডাকাড বেশ দূর্র্ধুর্ষ হয়ে উঠে।

বিশেষ করে টেকনাফের গহীন অরণ্যে আবদুল হাকিম ডাকাতের একাধিক আস্তানা রয়েছে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। টেকনাফের ফকিরামুরাসহ গহীন বনের বিশাল এলাকায় গড়ে তুলেছে তার এই আস্তানাগুলো। এখানে তার বাহিনীর অন্তত অর্ধশত অস্ত্রধারী ক্যাডারেরও বসতি রয়েছে। কক্সবাজার ও টেকনাফ শহরের বিভিন্ন ¯’ানে আছে তার একাধিক সোর্স। পাহাড়ের কোন ¯’ানে হাকিম কখন অব¯’ান করেন তা এখনও কেউ জানে না। অরণ্য ঘেরা পাহাড়েই হাকিম ডাকাত রাজার বেশে অব¯’ান করে চালিয়ে যা”েছন তার যতসব অপকর্ম। তার বিরুদ্ধে টেকনাফের আওয়ামীলীগ হত্যা মামলাসহ টেকনাফ থানায় হত্যা ৭টি, অপহরণ ৬টি, মাদক ২টি, ধর্ষণ ১টি, ডাকাতি ২টি মামলা রয়েছে।

অপরজন মোঃ সলিম ওরফে সলিম ডাকাত রাতারাতি হিং¯্র হয়ে উঠে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ ¯’ানীয়দের আতংকের নাম সলিম ডাকাত। জাদিমুরা এলাকার যুবলীগ নেতা ওমরকে হত্যা করে দেশ বিদেশে বেশ আলোচনায় আসে এই সলিম ডাকাত। গত কয়েক সপ্তাহ আগে তাদের একটি গ্রুপের হাতে সলিম ডাকাত নিহত হয়েছে বলে চাওর হয়েছে। তবে এব্যাপারে আইনশৃংখলা বাহিনীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এসব অপরাধী ডাকাতদের ধরতে র‌্যাব ও পুলিশ কয়েক দফা অভিযান পরিচালনা করে। শুধু তাই নই রোহিঙ্গা ডাকাতের আস্তানা চিহ্নীত করতে গত সপ্তাহে ড্রোন ব্যবহার করে কয়েকটি আস্তানা চিহ্নীত করে এবং তা আগুনে পুড়িয়ে দিয়ে ধ্বংস করে দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গহীন পাড়াড়েও আস্তানা চিহ্নীত করতে এবং রোহিঙ্গা ডাকাতদের ধরতে হেলিকপ্টার যোগে চক্কর দেয় র‌্যাব-১৫।

র‌্যাব-১৫ টেকনাফ ইনচার্জ লেঃ মির্জা মাহতাব বলেন, গহীন পাহাড়ে হেলিকপ্টার চক্কর দিয়ে বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক জায়গা নজর এসেছে। ইতিমধ্যেও ড্রোন ব্যবহার করে কয়েকটি আস্তানা ধ্বংস করা হয়েছিল। তাছাড়া দূষ্কৃতিকারীদের পাকড়াও করতে গোয়েন্দা নজর রাখা হ”েছ। ভবিষ্যতে আরো অভিযান পরিচালনা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here