ঘরে বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখুন – গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কি কি লাগে?

0
128
গ্রাফিক্স ডিজাইন

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কি কি লাগে পর্ব -১

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে তরুণ তরুণীরা গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে দিন দিন। গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার আগে আমাদেরকে দেখতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রতি আগ্রহ আছে কিনা। আগ্রহ বলতে আপনার যদি আঁকা করতে ভালো লাগে তাহলে এটা আপনার জন্য খুব ভালো দিক। কি করে শিখবেন?

সম্পন্ন ফ্রীতে আপনাদের কে শেয়ার করবো ঘরে বসে কি করে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন। YouTube থেকে সম্পন্ন ফ্রী তে শিখতে পারবেন তবে মনের মতো করে খুঁজে শিখতে শিখতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। তাইতো আপনাদের পুরো স্টেপে বাই দেখিয়ে দিবো a-z। আসলে কি গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পন্ন ফ্রীতে শিখা যায় হা অবশ্যই পারবেন তার জন্য আপনার থাকতে হবে প্রচুর ধৈর্য। অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইন কি আসলে সহজ এক কথায় বলতে গেলে না। তবে খুব সহজে গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস গুলো তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করা যায় তবে সম্পন্ন ডিজাইনার হওয়া যায় না একজন ভালো ডিজাইনার হতে গেলে আপনার মধ্যে থাকতে হবে নতুন নতুন ডিজাইন এর আইডিয়া বা কল্পনা থাকতে হবে তাহলে আপনি একজন ভালো ডিজাইনার হয়ে ওঠতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

গ্রাফিক শব্দের অর্থ হলো ড্রইং বা আঁকা এবং ডিজাইন শব্দের অর্থ হলো নকশা। এখন যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন অর্থ একত্রে করলে হবে ড্রইং পরিকল্পনা বা আঁকা নকশা। সহজ ভাষায় বলতে গেলে কল্পনা করা ড্রইং বা চিত্র কে কম্পিউটার সফ্টওয়্যার এর মাধ্যমে নিজের কল্পনা ধারণাগুলির সাথে যোগাযোগ করার জন্য, দৃশ্যমান ধারণাকে বুঝানো  হয়।গ্রাফিক্স ডিজাইন

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে  কি কি প্রয়োজন?

মূলত আপনাকে আগে জানতে হবে আপনি তো গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবেন কি নিয়ে কাজ করতে হবে সেটা তো আপনাকে আগে জানতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইন  হলো একটা ক্যাটাগরি এই ক্যাটাগরি ভিতরে  অনেক ধরনের সাব-ক্যাটাগরি রয়েছে। নতুন অবস্থায় আপনাকে প্রথমে যে কোন একটা সাব-ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করতে হবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সাব-ক্যাটাগরি লিস্ট গুলো দেখুন।
1.Logo Design.
2.Brand Style Design.
3.Game Art.
4.Stationery Design.
5.Business Card Design.
6.illustration.
7.Brochure Design.
8.Poster Design.
9.Flyer Design.
10.Book Cover Design.
11.Album Cover Design.
12.Post Card Design.
13.Packaging Design.
14.Social Media Design.
15.Catalog Design.
16.Menu Design.
17.Invitation Design.
18.Web Banners Design.
19.Photoshop Editing.
20.Product Design.
21.Presentation Design.
22.Info-graphic Design.
23.CV Design.
24.T-shirt Design.
25.Tattoo Design etc.

আরো অনেক গুলো আছে তবে এগুলো হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় এগুলোর মধ্যে থেকে একটি সিলেক্ট করে কাজে নেমে পড়ুন ইন-শা-আল্লাহ ভালো ফল পাবেন নতুন অবস্থায় ১টি নিয়ে শুরু করা ভালো।
এখন অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে এতোগুলা সাব-ক্যাটাগরি মধ্যে কোনটার ডিমান্ড কেমন এগুলো কি করে শিখবো কোনটা কি রকম যারা নতুন করে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে যাচ্ছে তারা এগুলো না জানার কথা তাহলে একটা একটা করে পরিচিত হওয়া যাক।

Logo Design : লোগো হল একটি চিহ্ন বা প্রতিক কোন একটি দেশ, প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যাক্তিত্ব সহ অনেক কিছু প্রকাশ করে। যেমন ধরুন আপনি ইন্টারনেট সার্চ করলেন বাংলাদেশ লোগো তখন আপনার সামনে লাল-সবুজ কতগুলো পতাকা বা মানচিত্র টাইপের কতগুলো ইমেজ দেখাবে হা এটা বলা যায় দেশের লোগো। লোগো অনেক গুলো প্রকার হয়ে থাকে।
1.Minimalist Logo.
2.3D Logo
3.Mascot Logo
4.Signature Logo
5.Hand-Drawn Logo
6.Vintage Logo etc.

আরও কয়েক প্রকারে লোগো রয়েছে।লোগো তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন যে প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির জন্য লোগো তৈরি করবেন সে কোম্পানি নাম,সে কোম্পানি যাবতীয় তথ্য যেমন সে কোম্পানি কি ধরনের কাজ করে তাদের টার্গেট অডিয়েন্স কারা সব দেখতে হবে একজন লোগো ডিজাইনার। একজন সাধারণ মানুষের চোখে লোগো মানে কোম্পানি বা প্রডাক্ট লোগোর ওপর ভিত্তি করে একটি ব্র্যান্ড দাঁড়িয়ে য়ায় মানুষের কাছে আস্থা তৈরি হয় শুধুমাত্র লোগো ডিজাইন দিয়ে। বর্তমান সময়ে প্রায় সবার নিজস্ব ওয়েবসাইট বা Facebook page রয়েছে সেটির জন্যে লোগো প্রয়োজন হয়।

লোগো দেখতে অনেক সিম্পল মনে হলেও ডিজাইন করার সময় অনেক দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়।একটা লোগো ডিজাইন এর জন্য সচারাচর $5 -$1000 ডলার পযন্ত খরচ করে থাকে ক্লাইন্ট। লোগোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে আমার দেখা সবচেয়ে জনপ্রিয় একটা ক্যাটাগরি ডিজাইন সেক্টরে। আপনার চাইলে এই ক্যাটাগরিতে কাজ শুরু করতে পারেন তবে কমপিটিশন তুলনামূলক ভাবে বেশি লোগো ডিজাইন।আমি শুধু বেসিক ধারণা টা দিলাম যদি আপনি মনে করেন কি করে লোগো ডিজাইন করতে হয় পুরো পোস্ট তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিতে পারেন।

NOTE : কি করে ঘরে বসে লোগো ডিজাইন শিখবেন সম্পন্ন ফ্রী তে পরবর্তী পর্বে প্রকাশিত হব।

Brand Style Guide: একটা লোগো ডিজাইন এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইল গাইড একটা ব্র্যান্ডের লক্ষ্য, দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানগুলি প্রকাশ করে এবং এটি ডিজাইনে অনুবাদ করে। ব্র্যান্ড পরিচয়ের মূল উপাদানগুলি হলো একটি ব্র্যান্ড স্টাইল গাইড হ’ল একটি রুলবুক বা নির্দেশবুক যা ব্যাখ্যা করে যে কোনও সংস্থা কীভাবে নিজেকে তার লোগো, ফন্ট এবং রঙ নির্বাচন, ফটোগ্রাফি এবং আরও অনেক কিছুর মাধ্যমে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করে।হয়তো কিছু টা হলে বুঝে গেছেন যে Branding কি।
বর্তমান বাজারে এর চাহিদা অনেক এটার জন্য কোম্পানি গুলো অনেক টাকা খরচ করে থাকে শুধু মাত্র তাদের Brand টা ভালো ভাবে উপস্থাপন করতে পারে বিশ্বের কাছে।একজন Brand Style Guide ডিজাইন এর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট গুলোতে প্রচুর পরিমাণ ডিমান্ড রয়েছে।

Game Art Design: বর্তমান সময়ে কে না গেইম খেলা না করে। এই গেইম তৈরি তে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রয়োজন একজন প্রোগ্রামার ও প্রয়োজন গেইমের ভিতর যা গ্রাফিক্স দেখতে পাই সেগুলো একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনর তৈরি করেছে। Game Art Design অনেক কিছু সম্বোধনে বানানো যেমন অনেক গুলো কারেক্টার দেখতে পাই গেইম ভিন্ন ভিন্ন জায়গা ইত্যাদি। বর্তমান বিশ্বের গেইমের চাহিদা তৈরি হচ্ছে প্রচুর। একজন গেইম ডিজাইনার ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে অনেক চাহিদা রয়েছে।

Stationery Design: Stationary বলতে যাবতীয় কিছু পাওয়া যায় যেমন খাতা,কলম পেন্সিল রাবার নোট বই ইত্যাদি। একটু থামুন এগুলো শুধু দোকানে এর জন্য Stationary এখন আসি ব্যবসার জন্য কি রকম Stationary Design প্রয়োজন।

ভাল স্টেশনারি নকশা নান্দনিকভাবে আনন্দদায়ক, তবে কেবল সত্যই দুর্দান্ত একটি ব্র্যান্ডের মূল মান, মিশন এবং দৃষ্টি প্রতিফলিত করে। ডিজাইন সেইগুলিকে ফুটিয়ে তুলতে পারে যা নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বলে ওঠে। স্টেশনারি ডিজাইনার সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে কোন ব্র্যান্ডকে জ্বলে ওঠার জন্য।স্টেশনারি ডিজাইন অনেক গুলো ডিজাইন নিয়ে গঠিত তবে ব্যবসায়িক প্রিন্টের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড ডিজাইন এবং মুদ্রণের আকার রয়েছে:

1.USA Letterhead: 8.5 ” x 11″
2.Non-USA Letterhead: 210 x 297 mm
3. USA Envelop: 9.5 “x 4.125” অথবা 8.875 “X 3.875″
4.Business Card: 3.5 ” x 2″
5. Presentation Folder – 9 ” x 12″

অন্যান্য প্রিন্ট ডিজাইনে ব্র্যান্ডযুক্ত কলম, সিডি কভার, ইমেল স্বাক্ষর, চালান, স্ট্যাম্প, নোটপ্যাড, স্টিকার, সিগনেটস, সিডি কভার, ‘থ্যাঙ্ক ইউ কার্ড’ নোটস, গ্রিটিং কার্ড, মোবাইল ফোন স্ক্রীনসভার ইত্যাদি।

Business Card Design: বিজনেস কার্ড যেকোনো মানুষের ধারক বা বাহক। একটি ভালো বিজনেস কার্ডের মাধ্যমে ক্লায়েন্টদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে সক্ষম হন। কম বেশি সবার বিজনেস কার্ড সবারই লাগে। আপনি যদি লক্ষ করলে দেখবেন আপনার আশেপাশে অনেকর এই কার্ড রয়েছে অথবা আপনার পকেটে ও অনেক জনের কার্ড রয়েছে তা একটুখানি ভিন্ন ধরনের কারণ দেশিও কার্ড গুলো সচারাচর এমন হয়।
তবে বাইরের দেশের কার্ড গুলো খুবই সিম্পল। নতুন অবস্থায় বিজনেস কার্ড দিয়ে শুরো করা যেতে পারে এটা কম সময়ের মধ্যে করা যায়।এর চাহিদা দেশিও বা বিদেশি ক্ল্যায়েন্টের বিপুল চাহিদা তৈরি হয়েছে। সাধারণ এর জন্য $5-$100 ডলার পযন্ত খরচ করে থাকে। তবে কম্পিটেশন অনেক বেশি।

illustration: আগামী পৃথিবী তে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটা ক্যাটাগরি হবে এই illustration ক্যাটাগরি। illustration কি? সাধারণ ভাবে বলতে পারি ছোট দের বইয়ে ছড়ার সাথে যা ছবি দেখতে পাই সেগুলো illustration। আরও সহজ ভাবে বলতে পারি যতগুলো Animation মুভি দেখি সবগুলো illustration এর কাজ।কার্টুন থেকে শুরু করে illustration চাহিদা বিপুল। তবে এটা একেবারে সহজ না কঠিন ও না এর ডিমান্ড অনেক হাই একটা illustration এর জন্য মিনিমাম $50 পযন্ত খরচ করে থাকে ক্লাইন্ট।

Brochure Design: ব্রশিয়ার হচ্ছে তথ্য সম্বলিত ডকুমেন্ট যেটি মূলত বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানি।একটি ব্রশিয়ার ডিজাইন দিয়েই কোন প্রতিষ্ঠানকে ফুটিয়ে তুলতে পারেন সে প্রতিষ্ঠান সম্বোধন তাদের সেবা সব কিছু উল্লেখ করা যায়। এছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি অথবা প্রসারের জন্য ইহা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটা মূলত ২-৩ টা পেইজ নিয়ে গঠিত।ব্রশিয়ার ডিজাইন অনেক ধরনের হতে পারে।

১) হাফ ফোল্ড ব্রশিয়ার ডিজাইন
২) বাই ফোল্ড ব্রশিয়ার ডিজাইন
৩) ট্রাই ফোল্ড ব্রশিয়ার ডিজাইন
৪) জেড ফোল্ড ব্রশিয়ার ডিজাইন ইত্যাদি।

Poster Design : পোস্টার ডিজাইন বলতে আমারা কি বুঝি বাড়ি থেকে বাহির হলেই দেওয়ালে নানান ধরনের পোস্টার লাগানো দেখতে পাই। অনেক রকম পোস্টার রয়েছে তার মধ্যে বেশি ব্যবহত হয় মুভি পোস্টার।দেশি ও ভাবে বলতে গেলে মাহফিলের পোস্টার, নিবার্চনি পোস্টার এগুলো বেশি ব্যবহত হয়। পোস্টারে চাহিদা বিপুল রয়েছে দেশে বা বিদেশে চাইলে এটা দিয়ে শুরু করতে পারেন বলতে গেলে এটা কমপিটিশন তুলনামূলক ভাবে কম চাহিদা বেশি এই ক্যাটাগরিতে।

Flyer Design : পোস্টার এবং ফ্লাইয়ার ডিজাইন অনেক টা একই কোন কোন পোস্টার a4 সাইজে ও তৈরি করা হয়। ফ্লাইয়ার চাহিদা তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে। চাইলে আপনি এটা দিয়েও শুরু করতে পারেন চাহিদা অনেক কমপিটিশন ও তুলনামূলক ভাবে কম।

NOTE : কি করে ঘরে বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন সম্পন্ন ফ্রী তে পরবর্তী পর্বে প্রকাশিত হবে।

Book Cover Design: বুক কভার বলতে আমারা জানি প্রত্যেক বইয়ে একটা কভার থাকে সেটা কোন না কোন একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ডিজাইন করেছে। বুক কভার ডিজাইন করতে একটু সময়ে প্রয়োজন হয় কেননা এটা একটু জটিল ও বটে। তুলনামূলক ভাবে চাহিদা ও বেশি কমপিটিশন কম।দেশে-বিদেশে চাহিদা অনেক রয়েছে বুক কভার ডিজাইন এর আপনি চাই লে এটা দিয়ে শুরু করা যায়।

Album Cover Design: Album বা CD কভার ডিজাইন এটা অনেকটা বুক কভার ডিজাইন এর মতো। আমরা অনেক CD দেখেছি এগুলো কোন না কোন একজন ডিজাইনার করেছে। নতুন কোন গান বাজারে আসে সেটা এমনি এমনি আসে না গান এটাকে খুব সুন্দর করে পোস্টার, কভার ডিজাইন করে পাবলিশ করা হয়। এ-সব কাজ করতে একজন ডিজাইনার এর প্রয়োজন হয়। চাহিদা তেমন না থাকলে চাহিদা কম বলতে একদম কম না মোটামুটি তবে এটা দিয়ে শুরু করা উচিত না যদি বুক কভার ডিজাইন দিয়ে শুরু করেন এটা ও করতে পারেন।

Post Card Design: পোস্ট কার্ড ডিজাইন নামের মধ্যে ও রয়েছে কার্ড ডিজাইন তার মানে এটা একটা না একটা কার্ডই হবে হা এটা হলো একটা কার্ড ডিজাইন। একটি পোস্টকার্ড একটি আয়তক্ষেত্রাকার মেলার যা কোনও খাম ছাড়াই পাঠানো হয়।

Packaging Design: গ্রফিক্স ডিজাইন সবচেয়ে জনপ্রিয় একটা ক্যাটাগরি এটার চাহিদা বিপুল পরিমাণ।

প্যাকেজিং ডিজাইন কি?

প্যাকেজিং হ’ল বিজ্ঞান, শিল্প এবং বিতরণ, সঞ্চয়, বিক্রয় এবং ব্যবহারের জন্য পণ্যগুলি বদ্ধ বা সুরক্ষার প্রযুক্তি। সুজা কথায় একটা পণ্য তৈরি করলে সেটা পেকেট করতে হয় বাজারে বিক্রি করার জন্য কোন পণ্য তো এমনি এমনি বিক্রি করা যায় না সেটা তো প্যাকেজিং করে সুরক্ষা নিশ্চিত করে বাজারে আনতে হয়। প্যাকেজগুলি ডিজাইন, মূল্যায়ন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়াটিকেও বোঝায়। প্যাকেজিং পরিবহন, গুদামজাতকরণ, সরবরাহ, বিক্রয় এবং শেষ ব্যবহারের জন্য পণ্য প্রস্তুতের সমন্বিত ব্যবস্থা হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে। প্যাকেজিংয়ে রয়েছে, সুরক্ষা দেয়, সংরক্ষণ করে, পরিবহণ করে, অবহিত করে এবং বিক্রি করে।
বিপুল পরিমাণ চাহিদা রয়েছে এই প্যাকেজিং ডিজাইন।

আমরা লক্ষ করলে দেখতে পাই আমাদের আশেপাশে যতসব পণ্য আছে সবই কোন না কোন ডিজাইনার দ্বারা ডিজাইন করা যেমনঃ পটেটো চিপস যে পেকেট আছে সেটা ডিজাইন করেছে একজন ডিজাইন শুধু এটা সব ধরনের পণ্যের ডিজাইন একজন ডিজাইনার দ্বারা করা। আপনি চাই লে এটা দিয়ে শুরু করতে পারেন এর চাহিদা বিপুল।

NOTE : কি করে ঘরে বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন সম্পন্ন ফ্রী তে পরবর্তী পর্বে প্রকাশিত হবে।

Social Media Design: সোশ্যাল মিডিয়ায় বলতে চিনি Facebook, Twitter, Instagram, LinkedIn ইত্যাদি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় এই সোশ্যাল মিডিয়ায় গুলো এগুলো জন্য বিভিন্ন কোম্পানি নিয়মিত পোস্ট করে থাকেন এই পোস্ট হয়ে থাকে ছবি আকারে অথবা ভিডিও আকারে অথবা লেখা আকারে, সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকে ছবি আকারে, কি রকম ছবি হতে পারে মানুষের ছবি না সব গুলো ডিজাইন আকারে ছবি পোস্ট করা হয়ে থাকে এই ডিজাইন গুলো একজন ডিজাইনার তৈরি করে থাকে বর্তমান সময়ে দেশে-বিদেশে প্রত্যেক কোম্পানির জন্য একজন ডিজাইনার থাকা অতি জুরুরি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিজাইন এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটা দিয়ে ও শুরু করা যায়।

Menu Design: মেনু ডিজাইন ব্যবহত হয় রেষ্টুরেন্ট। খাবারের তালিকা তৈরি করে রেখে গ্রাহক দের কে খুব সহজেই উপস্থাপন করা হয়ে থাকে তার জন্য মেনু ডিজাইন প্রয়োজন।টী চাহিদা ও বাড়ডেছে দিন দিন তবে এটা নিয়ে শুরু করা ভালো দিক না তবে মেনু ডিজাইন দিয়ে শুরু করতে চাই আপনার থেকে Invitation Design দিয়ে ও শুরু করতে হবে।

Invitation Design কী?

ছোট একটা গল্প দিয়ে শুরু করি ২০১৮ সালের দিকে আমি লোগো নিয়ে কাজ করতাম শুধু মাত্র লোগো নিয়ে কাজ করি আমার এক রেগুলার ক্লাইন্ট হঠাৎ করে তার ছেলে জন্মদিন এর জন্য একটা Birthday Card ডিজাইন দরকার আমাকে সে বললো, এখানে বলে রাখা ভালো আমি আগে থেকে কোন রকম কার্ড নিয়ে কাজ করি নি।

তবে বিজনেস কার্ড ডিজাইন করতে জানতাম। যখন রেগুলার ক্লাইন্ট বললো সরাসরি না করি নাই তাকে বলেছি করতে পারবো সে তার ইনফরমেশন দিয়েছ আমাকে এবং তার ছেলের ছবি ও দিয়েছে আমাকে ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে অনেক ক্ষন রিসার্চ করে একটা ডিজাইন দিলাম। কিছু ভুলের কারণ সেটা রিভিশন চাইলো বাট ঠিক করে আবার দিয়েছে তার পছন্দ হয়েছে। হা বলতে পারেন আমার তো এই সেক্টর আইডিয়া নাই তাহলে এটা কেমন করে করলেন ক্লাইন্ট আমাকে শুধু দিয়েছে তার ছেলের ছবি এবং তার ছেলের নাম, জন্মদিন এর তারিখ, আর কোথায় উদযাপন করবে তার ঠিকানা আর সময় টা, বাকিটা আমার থেকে ইন্টারনেট থেকে রিসার্চ করে বাহির করতে হয়েছে সাইজ থেকে শুরু করে কিছু কুয়েট সহ দেওয়া। এটার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটা দিয়ে ও শুরু করতে পারেন খুব ভালো হবে।

Web Banners Design: রাস্তা-ঘাটে তো অনেক রকম এর ব্যানার দেখি আমরা। কোন ওয়েবসাইট গেলেও অনেক ধরনের ব্যানার দেখা যায়।এটা কোন না এক ডিজাইনার ডিজাইন করেছে এই ব্যানার গুলো। দেশে-বিদেশে এর চাহিদা বিপুল পরিমাণ রয়েছে তবে কমপিটিশন ও বেশি রয়েছে এটা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে ভালো একটা ক্যাটাগরি।

Photoshop Editing: ফটোশপ এডিট বলতে ছবির যাবতীয় কাজ কে বোঝায় এমন না যে শুধু ছবির কাজ করা হয় ফটোশপ দিয়ে অনেক প্রকার ডিজাইন এর কাজ করা যায়।
আপনি চাই লে শুধু ফটোশপ শিখে অনলাইন থেকে ভালো একটা টাকা ইনকাম করতে পারবেন। প্রচুর কাজ পাওয়া যায় ফটোশপ দিয়ে।

Product Design: উপরের আমরা আলোচনা করেছি Packaging Design নিয়ে Product এবং packaging ডিজাইন নিয়ে ভিন্ন তা কি। ভিন্ন বলতে গেলে অনেক বড় ভিন্ন নাম আর শুনতে এক হলে ও আসলে একের মধ্যে আসে না অনেক ভিন্ন জিনিস। উদাহরন হিসাবে একটা বোতল এর কথা চিন্তা করা যাক একটা বোতলের আকার কেমন হবে সেটা ডিজাইন করা হয় Product ডিজাইন আর সে বোতল এর উপর কেমন ডিজাইন হবে সেটা ডিজাইন করে থাকে Packaging ডিজাইনার আশা করি ভিন্নতা বোঝলেন।

সবচেয়ে কঠিন এবং সবচেয়ে ডিমান্ড খুঁজতে গেলে দেখা যায় একজন Product ডিজাইন ডিমান্ড অনেক বেশি।হয়তো শুনে অবাক হবেন যে বড় বড় কোম্পানি Product বাংলাদেশের ডিজাইনারা করে থাকে। BMW গাড়ির ডিজাইন ও বাংলাদেশের Product ডিজাইনার রা করেছেন। চাইলে এটা দিয়ে শুরু করতে পারেন সময় আর অনেক কষ্টের প্রয়োজন তবে চাহিদা অনেক বেশি।

Presentation Design: এটা বলতে গেলে সাধারণ কোন ডিজাইন কি ভাবে উপস্থাপন করবে তার ক্লাইন্ট কাছে। একটা উদাহরণ হিসাবে দেখলে কোন বিজনেস মিটিং নিজেদের প্ল্যান ঠিক করে উপস্থাপন করতে হয় সেটা যদি একজন ডিজাইনার দিয়ে করলে তাহলে খুব সুন্দর ভাবে গ্রহণ যোগ্য হয়। এই ধরনের কাজ অনেক পাওয়া যায় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসগুলো তে।
Info-graphic Design: ইনফো-গ্রাফিক ডিজাইন আগামী দিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠবে। এটা দিয়ে শুরু করাটা খুব ভালো হবে তবে এটা কোন সহজ কাজ নই।

ইনফো-গ্রাফিক কী?

ইনফো-গ্রাফিক হলো কোন বিস্তারিত কিছু কে ছবি মাধ্যমে খুব সহজে তুলে ধরাকে ইনফো-গ্রাফিক বলা যায়।যেমম বাংলাদেশের ম্যাপ এটাও এক প্রকার ইনফো-গ্রাফিক এটা দিয়ে পুরো বাংলাদেশ কে খুব সহজেই বুঝানো যায়। চাইলে এটা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে এটার চাহিদা দিন দিন বাড়ডেছে।

CV Design: CV বলতে গেলে সচারাচর আমরা Ms-word দিয়ে ২ পেইজে একটা নিজের সম্পর্কে তুলে ধরি। আপনি হয়তো জানেন না যে এই CV ডিজাইন কত সুন্দর করে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইন ডিজাইন করতে পারে।একটা সুন্দর CV আপনাকে আপনার জব পেতে খুবই আকর্ষন করে খুব সহজে। CV ডিজাইন এর চাহিদা দিন দিন বাড়তে ছে।এটা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।

T-shirt Design: টিশার্ট ডিজাইন আমরা যে টিশার্ট গায়ে দি সেটার ডিজাইন যদি আমরা নিজেরা করি তাহলে কেমন হবে। নিজের ডিজাইন করা টিশার্ট গায়ে দেওয়ার আনন্দ টা না কেমন। টিশার্ট ডিজাইন ক্যাটাগরি টা খুব ভালো এটার চাহিদা অনেক। টিশার্ট ডিজাইন ক্লাইন্ট দেশে-বিদেশে প্রচুর রয়েছে। যদি লোকাল মার্কেটে নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে টিশার্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন ভালো সুযোগ তৈরি হয়েছে লোকাল মার্কেটে ও। প্রতিমাসে ৩০-৫০ হাজার টাকা ইনকাম করা যেতে পারে শুধু মাত্র লোকাল ডিজাইন করে।

Tattoo Design : Tattoo বলতে মানুষ এর হাতে যেটা অংকন করা হয় সেটা কে বুঝানো হয়। Tattoo ডিজাইন শুধু গায়ে না অনেক জায়গায় ব্যবহার হয়। এটা অনেক বড় একটা সেক্টরের এই সেক্টরের শুরু Tattoo না আরো অনেক কিছু আছে Striker ডিজাইন থেকে শুরু করে আপনার যদি ভালো দূশ্য আঁকতে পছন্দ করেন তাহলে এটা হবে আপনার জন্য বেস্ট চয়েস।

আশা করি আপনার গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সাব-ক্যাটাগরি সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনেছেন।এখন আপনার কাজ হলো সব সাব-ক্যাটাগরি থেকে একটা ক্যাটাগরি দিয়ে শুরু করে দেওয়া। এটার জন্য আপনাকে কিছু সময় ধরে ভাবতে হবে কি নিয়ে কাজ করবেন। এসব করার জন্য আপনার প্রয়োজন এডোবি ইলস্ট্রাটর। কি করে এডোবি ইলস্ট্রাটর ডাউনলোড করেতে এই পোস্ট টা দেখুন। কি করে এডোবি ইলস্ট্রাটর ডাউনলোড করেতে এই পোস্ট টা দেখুন।এটা ছিল গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কি কি লাগে পর্ব -১।

নোটঃ যেটা শিখবেন সেটা ভালো করে শিখবেন সবার প্রথমে Adobe illustrator এর সকল টুলস গুলোর ব্যবহার ভালো করে জানতে হবে তার পর একটা ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ শুরু করতে হব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here